প্রতিষ্ঠানের ইতিহাস

আন্তর্জাতিক শ্রম সংস্থার সনদ ৮৮ এর সুপারিশের আলোকে বেকারদের কর্মসংস্থানের উদ্দেশ্যে এমপ্লয়মেন্ট একচেঞ্চ সমূহ কাজ করতে থাকে। বাংলাদেশের স্বাধীনতার পর মধ্য প্রাচ্যের তৈল সমৃদ্ধ দেশ সমূহে প্রচুর সংখ্যক দক্ষ শ্রমিকের চাহিদার প্রেক্ষিতে ১৯৭৬ সালে তদানিন্তন শ্রম দপ্তরের অধীনে জনশক্তি ও কর্মসংস্থান শাখা আলাদা ভাবে জনশক্তি, কর্মসংস্থান ও প্রশিক্ষণ ব্যুরো নামে সম্পূর্ণ আলাদা একটি সরকারী নির্বাহী অধিদপ্তর সৃষ্টি করা হয়।

জনশক্তি, কর্মসংস্থান ও প্রশিক্ষণ ব্যুরো, প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের একটি অধিদপ্তর। ব্যুরোর সকল কর্মকান্ড পাঁচটি উইং এর মাধ্যমে পরিচালনা করা হয়ে থাকে। (ক) প্রশিক্ষণ উইং (খ) কর্মসংস্থান উইং (গ) কল্যাণ উইং (ঘ) প্রশাসন উইং (ঙ) বৈদেশিক কর্মসংস্থান উইং। ব্যুরোর অধীনস্থ প্রতিটি কারিগরি প্রশিক্ষণ কেন্দ্র এবং বাংলাদেশ ইন্সটিটিউট অব মেরিন টেকনোলজির কার্যক্রম, তত্ত্বাবধান এবং প্রশিক্ষণ মান নিয়ন্ত্রণ সহ উন্নয়ন কার্যক্রমের দায়িত্ব পালন করে থাকে।

বর্তমানে দেশে এবং বিদেশে কর্মক্ষম দক্ষ জনবলের বহুমূখী চাহিদা ও গুরুত্ব উপলব্ধি করতঃ প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের অধীনস্থ জনশক্তি, কর্মসংস্থান ও প্রশিক্ষণ ব্যুরোর নিয়ন্ত্রণাধীন টাঙ্গাইল কারিগরি প্রশিক্ষণ কেন্দ্রের প্রশিক্ষণ কার্যক্রম ২০০৬ খ্রীঃ থেকে শুরু হয়েছে। আধুনিক বিজ্ঞানমূখী ও টেকসই প্রযুক্তি নির্ভর বাংলাদেশ বিনির্মানে এবং ক্রমপরিবর্তনশীল বিশ্ব অর্থনীতির সাথে সাথে দেশের মধ্যে ও বিদেশে কারিগরি প্রশিক্ষণ প্রাপ্ত দক্ষ জনশক্তির চাহিদা দিন দিন বৃদ্ধি পাচ্ছে। দারিদ্র বিমোচন, দেশের ক্রমবর্ধমান বেকার সমস্যা দূরীকরণ, আর্থ-সামাজিক অবকাঠামো উন্নয়ন, দ্রুত শিল্পায়নের সহায়ক দক্ষ জনশক্তি সৃষ্টি ও আন্তর্জাতিক শ্রম বাজারে দক্ষ জনশক্তি সরবরাহ বৃদ্ধি প্রভৃতি উদ্দেশ্যে সামনে রেখে কারিগরি ও বৃত্তিমূলক প্রশিক্ষণ কর্মকান্ড টাঙ্গাইল কারিগরি প্রশিক্ষণ কেন্দ্রে পরিচালনা করা হচ্ছে। ফলে বাংলাদেশের এই বিশাল বেকার জনগোষ্টিকে জনসম্পদে রূপান্তর করে বিশ্ব দরবারে বাংলাদেশকে উন্নয়নশীলতার কাতারে দাঁড়িয়ে কাঁধে কাঁধ মিলাতে শেখাবে।

কেন্দ্রের অবস্থান ও ভবনাদীঃ

টাঙ্গাইল কারিগরি প্রশিক্ষণ কেন্দ্রটি, টাঙ্গাইল জেলায় সদর উপজেলার ঢাকা-টাঙ্গাইল সড়কের নগরজালফৈ, টাঙ্গাইলে অবস্থিত। প্রতিষ্ঠানটি একটি সুবৃহত তিন তলা ভবন। প্রতিষ্ঠানটির নিচ তলায় অধ্যক্ষ, উপাধ্যক্ষ, প্রশিক্ষণ, প্রশাসনিক, আর্থিক লেনদেন, ষ্টোর, প্রাথমিক চিকিৎসা কেন্দ্র, লাইব্রেরী, বিজ্ঞানাগার, প্রশিক্ষণ পরিচালনা, ইলেকট্রিক্যাল ওয়ার্কসপ, ওয়েল্ডিং এন্ড ফেব্রিকেশন ওয়ার্কসপ, রেফ্রিজারেশন এন্ড এয়ারকন্ডিশনিং ওয়ার্কসপ, মোটর ড্রাইভিং উইথ বেসিক মেইনটেন্যান্স এবং জব প্লেসমেন্ট সেলসহ উন্নয়ন রক্ষণাবেক্ষণ সংক্রান্ত আনুষঙ্গিক কার্যাদি পরিচালনার জন্য সর্ব মোট ১১টি কক্ষ আছে। যাহার সর্বমোট আয়তন ২৩,২৮০ বর্গফুট। পক্ষান্তরে দোতলায় শ্রেণী কক্ষ,  জেনারেল ইলেকট্রনিক্স ওয়ার্কসপ, আর্কিটেকচারাল ড্রাফটিং উইথ অটোক্যাড ওয়ার্কসপ, হাউজ কিপিং প্রশিক্ষণ কক্ষ, মূখ্য প্রশিক্ষকগণের বসবার কক্ষসহ মোট ৯টি কক্ষ আছে। দ্বিতীয় তলায় সর্বমোট আয়তন ২৩,২৮০ বর্গফুট। টাঙ্গাইল কারিগরি প্রশিক্ষণ কেন্দ্রের তৃতীয় তলায় শ্রেণী কক্ষ, কম্পিউটার ল্যাবরেটরী, মূখ্য প্রশিক্ষকগণের বসবার কক্ষসহ হংকংগামী কর্মীদের প্রশিক্ষণ কক্ষ আছে। তৃতীয় তলার সর্বমোট আয়তন ১৫,১১৫ বর্গফুট। প্রতিটি ল্যাবরেটরী – ওয়ার্কসপে যন্ত্রপাতী সংরক্ষণ ও মেরামত এবং উপযুক্ত প্রশিক্ষণ ও দক্ষতা উন্নয়নের জন্য ব্যাপক অনুশীলনের উপযুক্ত পরিবেশ বিদ্যমান।

কেন্দ্রের নাম : টাঙ্গাইল কারিগরি প্রশিক্ষণ কেন্দ্র, টাঙ্গাইল।
স্থাপিত সন : ২০০৬ খ্রীঃ।
অধ্যক্ষের নাম : প্রকৌঃ কামরুজ্জামান

আমাদের দেশের প্রায় ১৬ কোটি জনগনের মধ্যে ৩০ ভাগের উপরে দারিদ্র সীমার নীচে বসবাস করে। প্রতি বছর প্রায় ২০ লক্ষ মানুষ তাদের ভাগ্য উম্মোচনের জন্য নতুন করে বিদেশের শ্রম বাজারে প্রবেশ করে। আমাদের দেশ থেকে যে সকল শ্রমজীবি মানুষ বিদেশে যায়, তাদের মধ্যে শতকরা ২৩ ভাগ মানুষ দক্ষ এবং বাকী ৭৭ ভাগ মানুষ আধাদক্ষ বা সম্পূর্ণ অদক্ষ। আমার দৃঢ় বিশ্বাস বৃত্তি মূলক কারিগরি প্রশিক্ষণ সম্পন্নকরী দক্ষ প্রশিক্ষণার্থীরা দেশের অভ্যন্তরে ও বহিঃর্বিশ্বে চাকরির বড় মাপের বাজার সৃষ্টি করবে। ফলে কিছুটা হলেও সমাধান হবে দেশের বেকার সমস্যা আর তাদের উপার্জিত টাকায় গতিশীল করবে দেশের অর্থনৈতিক মেরুদন্ডকে। টাঙ্গাইল কারিগরি প্রশিক্ষণ কেন্দ্র, নগরজালফৈ, টাঙ্গাইলে যুগোপযোগী জেনারেল ইলেকট্রনিক্স, জেনারেল ইলেকট্রিক্যাল ওয়ার্কস, রেফ্রিজারেশন এন্ড এয়ার-কন্ডিশনিং, আর্কিটেকচারাল ড্রাফটিং উইথ অটোক্যাড এবং ওয়েল্ডিং এন্ড ফেব্রিকেশন ট্রেডে দুইবছর মেয়াদী এসএসসি (ভোকেশনাল) কোর্সে প্রশিক্ষণ প্রদান করা হয়। এসএসসি (ভোকেশনাল) কোর্সে ভর্তিকৃত প্রশিক্ষার্থীদের প্রতিমাসে ১০০০(এক হাজার) টাকা হারে বৃত্তি প্রদান করা হয়। ০৬(ছয়) মাস মেয়াদী নিয়মিত ও স্ব-নির্ভর বেসিক কোর্সে কম্পিউটার অপারেশন, কন্জুমার ইলেকট্রনিক্স, ইলেকট্রিক্যাল, আর/এসি, অটোক্যাড এবং ওয়েল্ডিং ট্রেডে প্রশিক্ষণ প্রদানসহ ০৪ (চার) মাস মেয়াদী স্কিলস্ ইমপ্লয়মেন্ট ইনভেস্টমেস্ট প্রোগ্রাম(SEIP) এর আওতায় গ্রাফিক্স ডিজাইন, আইটি সাপোর্ট সার্ভি সেস, ইলেকট্রিক্যাল হাউজ ওয়ারিং, ওয়েল্ডিং এবং মোটর ড্রাইভিং উইথ বেসিক মেইনটেন্যান্স কোর্স প্রতিটিতে ৩০ (ত্রিশ)জন করে প্রশিক্ষণার্থী ভর্তি করা হয়। সপ্তাহে ০৬ (ছয়) দিন প্রশিক্ষণ প্রদানসহ প্রতি দশ জন প্রশিক্ষণার্থীদের জন্য এক জন করে মোট ০৪ (চার) জন প্রশিক্ষক প্রতিদিন ব্যবহারিক ক্লাসে সার্বক্ষনিক নিয়োজিত থাকেন। এছাড়া প্রশিক্ষণের মান উন্নয়ন ও ব্যবহারিক বিষয়াবলী আরও বেগবান করার জন্য একাডেমিক কমিটির মাধ্যমে মনিটরিং কার্যক্রম পরিচালনা করা হয়। প্রতি সপ্তাহে আভ্যন্তরীণ সভার আয়োজন করা হয়। উক্ত সভায় সকল ট্রেডের ব্যবহারিক জব প্রতিবেদন দাখিল করতে হয়। প্রতি সপ্তাহে মনিটরিং কমিটির দেওয়া জব রিপোর্ট ও ব্যবহারিক ক্লাসের অগ্রগতি নিয়ে আগামী দিনগুলোতে কিভাবে প্রশিক্ষণার্থীদের শতভাগ ক্লাসে উপস্থিতি করানো যায় এবং উত্তীর্ণ প্রশিক্ষণার্থীদের কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টির লক্ষ্যে প্রতি মাসে অনুষ্ঠিত মাসিক সভায় আলোচনা ও মতামতের ভিত্তিতে সু-চিন্তিত পদক্ষেপ গৃহীত হয়। স্কিলস্ ইমপ্লয়মেন্ট ইনভেস্টমেস্ট প্রোগ্রাম(SEIP) এর আওতায় সকল কোর্সের ভর্তিকৃত প্রশিক্ষণার্থীদের প্রতি দিন ১০০ (একশত) টাকা হারে যাতায়াত বাবদ ভাতা প্রদান করা হয়। যাহা প্রশিক্ষণার্থীদের নিয়মিত ক্লাসে উপস্থিতি হওয়ার জন্য উদ্বুদ্ধ করে। সফল ভাবে চুড়ান্ত পরীক্ষায় উত্তীর্ণ প্রশিক্ষণার্থীদের কর্মসংস্থানের জন্য অত্র প্রতিষ্ঠানের জব প্লেসমেন্ট সেল সার্বক্ষনিক ভাবে বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান ও ইন্ডাষ্ট্রিয়াল মালিকদের সাথে যোগাযোগ অব্যাহত রেখে চলেছে। আপনারা শুনে খুশি হবেন যে, এযাবৎ পর্যন্ত আইটি সাপোর্ট সার্ভিরেসেস, গ্রাফিক্স ডিজাইন, ফ্রিজারেশন এন্ড এয়ারকন্ডিশনিং, কন্জুমার ইলেকট্রনিক্স, ইলেকট্রিক্যাল হাউজ ওয়্যারিং, ওয়েণ্ডিং এন্ড ফেব্রিকেশন এবং মোটর ড্রাইভিং উইথ বেসিক মেইটেন্যান্স ট্রেড হতে সাফল্যের সাথে উত্তীর্ণ প্রশিক্ষণার্থীদের বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানে চাকুরী সহ আত্মকর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি হয়েছে। আমি আশা করি আগামী দিনে আপনাদের বেশী বেশী সহযোগীতা পেলে এই কর্মসংস্থানের হার আরো বৃদ্ধি করা সম্ভব হবে। প্রযুক্তি নির্ভর বাংলাদেশ গড়ার প্রত্যয়ে এবং বাস্তব অভিজ্ঞাতা অর্জনের জন্য সকল ট্রেডের প্রশিক্ষণার্থীদের ০৬ (ছয়) মাসে ০২ (দুই) বার ট্রেড রিলেটেড ইন্ডাষ্ট্রিয়াল ভিজিটের ব্যবস্থা করা হয়, যাতে বাস্তব অভিজ্ঞতা অর্জনসহ আত্মকর্মসংস্থানে সকলে উদ্বুদ্ধ হতে পারে। উল্লেখ্য যে, মোটর ড্রাইভিং উইথ বেসিক মেইটেন্যান্স হতে সফলভাবে উর্ত্তীর্ণ  প্রশিক্ষাণার্থী বিআরটিএ কর্তৃক লাইসেন্স প্রদান করা হয়। ‘‘বেকারত্বের দীর্ঘ লাইনে  দাঁড়িয়ে আর দীর্ঘশ্বাস নয়”- এই স্লোগানকে সামনে রেখে ০২(দুই) মাস মেয়াদী ফ্রিল্যান্সিং কোর্স এবং ইংরেজি ভাষা শিক্ষা কোর্সে প্রশিক্ষণ প্রদান অব্যাহত আছে। এছাড়াও বিদেশগামী পুরুষকর্মীদের ০৩(তিন) দিনের প্রি-ডিপার্চার ও বিদেশগামী মহিলা গৃহকর্মীদের হাউজ কিপিং কোর্সে প্রশিক্ষণ প্রদান করা হয়।

ভর্তির জন্য নির্বাচনী পদ্ধতিঃ

জনশক্তি ব্যুরোর প্রশাসনিক অনুমোদন ক্রমে জাতীয় দৈনিক পত্রিকাসমূহে ভর্তি বিজ্ঞপ্তিসহ স্থানীয়ভাবে বিভিন্ন রূপে প্রচারনা করা হয়। ভর্তি হতে ইচ্ছুক প্রার্থী/প্রার্থীনিকে ভর্তির নির্দিষ্ট সময় অনুসারে নির্ধারিত ফরম সংগ্রহ করতঃ যথাযথভাবে পূরণ পূর্বক চাহিদা অনুযায়ী প্রয়োজনীয় কাগজপত্র সংযুক্ত করে দরখাস্ত জমা দিতে হয়। দরখাস্তসমূহ পরীক্ষা নিরীক্ষা করে যাচাই বাছাই করা হয়। ভর্তি পরীক্ষা বা নির্বাচনী পরীক্ষার নির্ধারিত তারিখে লিখিত, কায়িক প্রবণতা ও মৌখিক পরীক্ষায় প্রাপ্ত নম্বরের ভিত্তিতে মেধা অনুসারে ফলাফল ঘোষণা করা হয়।

কেন্দ্রের একাডেমিক শৃঙ্খলাবিধিঃ

প্রশিক্ষণ কেন্দ্রের অভ্যন্তরে সুষ্ঠু প্রশিক্ষণের পরিবেশ রক্ষার স্বার্থে প্রত্যেক প্রশিক্ষণার্থীকে অবশ্যই এতুদ্দশ্যে প্রণীত শৃঙ্খলাবিধি লংঘন বা এর পরিপন্থি কোন কার্যে লিপ্ত হয় তবে কেন্দ্র কর্তৃপক্ষ নির্বিঘ্নে প্রশিক্ষণ পরিচালনার স্বার্থে উক্ত প্রশিক্ষণার্থীকে প্রথমতঃ সতর্ক এবং পরিশেষে কেন্দ্র হতে সম্পূর্ণ ভাবে বহিষ্কারের ক্ষমতা রাখে। এতদ্ববিষয়ে ছাত্র/ছাত্রী, অভিভাবক ও প্রশিক্ষকবৃন্দের সমন্বয় একটি ত্রিমুখী প্রশাসনিক কাঠামো রয়েছে।

প্রশিক্ষণ কেন্দ্র সংক্রান্ত শৃঙ্খলাবিধিঃ

(১) প্রশিক্ষণ কেন্দ্রের অভ্যন্তরে ধুম পান করা নিষেধ। (২) প্রশিক্ষণ চলাকালে বা প্রশিক্ষণের বিরতিতে প্রশাসনিক শাখা, বারান্দা ও ছাদে অযথা ঘোরাফেরা করা যাবে না। (৩) কেন্দ্রের অভ্যন্তরে উচ্চস্বরে কথা বলা, চিৎকার করে গান রা বা অশ্লীল বাক্য প্রয়োগ করা বিশেষ শাস্তিযোগ্য অপরাধ। (৪) সংশ্লিষ্ট প্রশিক্ষকের অনুমতি ব্যতিত প্রশিক্ষণ প্রদানরত শ্রেণীকক্ষ বা কর্মশালায় প্রবেশ করা ও বাহিরে যাওয়া নিষেধ। (৫) আটসাট পোষাক, জুতা ও এপ্রোন পরিধান ব্যতীত কর্মশালায় বা গবেষণাগারে বাস্তব প্রশিক্ষণে অংশ গহণ করা যাবে না। (৬) ক্যাম্পাসের আবাসিক এলাকায় উদ্দেশ্য বিহীন ভাবে এলোমেলো ঘুরাফেরা করা বিশেষ শাস্তিযোগ্য অপরাধ। (৭) জুনিয়র ছাত্র/ছাত্রীদের অবশ্যই সিনিয়র ছাত্র/ছাত্রীদের সম্মান জানাতে হবে এবং জুনিয়র শ্রেণীর ছাত্র/ছাত্রীদেরকে স্নেহ ও পরামর্শ প্রদান করবে। প্রতিষ্ঠানটি ২৪ ঘন্টা সিসি ক্যামেরার আওতাভূক্ত।

লাইব্রেরীঃ

কেন্দ্রের নীচ একটি সুবৃহৎ লাইব্রেরী আছে। ছাত্র/ছাত্রীরা সেখানে রিডিং টেবিলে বসে তাদের প্রয়োজনমত লেখাপড়া করার সুযোগ পেয়ে থাকে। লাইব্রেরী পিরিয়ডে শিক্ষকদের তত্ত্বাবধানে লাইব্রেরীতে ছাত্র/ছাত্রীদের পড়ালেখা তদারকি করা হয়। নিয়মিত ছাত্র/ছাত্রীদের বাংলাদেশ কারিগরি শিক্ষা বোর্ড প্রণীত টেক্সট বুক, সিলেবাস, কোর্স আউট লাইন নির্ধারিত মূল্যে ক্রয়ের সুযোগ আছে। এছাড়াও কারিগরি শিক্ষা বোর্ড প্রণীত বিভিন্ন ট্রেডের লার্নিং এলিমেন্টস সহ দেশী/বিদেশী ট্রেড সংশ্লিষ্ট বইপত্র/পুস্তকাদি সংরক্ষণ করা হইবে।

উপসংহারঃ

প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের অধীনে জনশক্তি, কর্মসংস্থান ও প্রশিক্ষণ ব্যুরোর কর্তৃক পরিচালিত টাঙ্গাইল কারিগরি প্রশিক্ষণ কেন্দ্রে বাংলাদেশ কারিগরি শিক্ষা বোর্ড , ঢাকা কর্তৃক অনুমোদন প্রাপ্ত ০৫(পাঁচটি) ট্রেডে এস এস সি (ভোকেশনাল) শিক্ষাক্রমে প্রশিক্ষণ প্রদান করা হচ্ছে। এই প্রতিষ্ঠানে এইচ.এস.সি (ভোকেশনাল) ও জাতীয় দক্ষতা মান-১ (অতিদক্ষ) প্রবর্তন ও উত্তরোত্তর উন্নতির জন্য সকলের সহযোগীতা একান্তভাবে কাম্য। এতদবিষয়ে উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের সদয় দৃষ্টি আকর্ষণ করা হচ্ছে।

© All rights reserved: tangailttc
Developed BY: Idris Ali
Mobile: +8801785225606
Design & Developed BY ThemesBazar.Com